কে এই মোহিনী? এ আর রাহমান–সায়রা বিচ্ছেদে আলোচনায়!

               এ আর রাহমান ও সায়রা বানু ২৮ বছর বয়সী বাঙালি গিটারিস্ট মোহিনী

অস্কারজয়ী সুরকার এ আর রাহমানের বিচ্ছেদের সঙ্গে বাঙালি বেজ গিটারিস্ট মোহিনী দের বিচ্ছেদের কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা নিয়ে আলোচনার পারদ চড়েছে। শিরোনামে আসা কে এই মোহিনী?

মোহিনীর বাবা সঞ্জয় দে-ও একজন নামকরা গিটারিস্ট। মাত্র ৩ বছর বয়সে বাবার কাছে গিটারে হাতেখড়ি ঘটেছে মোহিনীর। ১০ বছর বয়স থেকে কনসার্ট ও রেকর্ডিং শুরু করেছেন!

দেড় দশকের ক্যারিয়ারে এ আর রাহমান, জাকির হুসেন, জর্জ ব্রুকসসহ আরও অনেকের সঙ্গে বাজিয়েছেন মোহিনী। পাশাপাশি এলিফান্টা মিউজিক ফেস্টিভ্যাল, চেন্নাই গ্লোবাল মিউজিক ফেস্টিভ্যাল, দিল্লি ইন্টারন্যাশনাল জ্যাজ ফেস্টিভ্যালসহ বিভিন্ন উৎসবে বাজিয়েছেন তিনি! তাঁকে নিয়ে রোলিং স্টোন প্রতিবেদন করেছে। ফোর্বস ইন্ডিয়ার ‘থার্টি আন্ডার থার্টি’ তালিকায় ছিলেন! পাশাপাশি ঢাকার গান বাংলা টেলিভিশনের ‘উইন্ড অব চেঞ্জ’-এ বাজিয়ে গেছেন মোহিনী। পাশাপাশি কোক স্টুডিও ইন্ডিয়াতেও ছিলেন এই বেজ গিটারিস্ট! 



এ আর রাহমানের বিচ্ছেদের কয়েক ঘণ্টা পর এক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে সুরকার স্বামী মার্ক হার্টসাচের সঙ্গে সংসারে ইতি টানার ঘোষণা দেন মোহিনী দে!

এ আর রাহমানের বিচ্ছেদের সঙ্গে মোহিনীর বিচ্ছেদের ঘটনা নিয়ে দুই-দুইয়ে চার মিলিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো। দুজনের সম্পর্কের গুঞ্জনও ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে!

তবে এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন সায়রা বানুর আইনজীবী বন্দনা শাহ। বিষয়টি নিয়ে জোর আলোচনার মধ্যে রিপাবলিক টিভিতে তিনি জানান, ‘বিচ্ছেদের পেছনে দুজনের কোনো যোগসূত্র নেই। এ আর রাহমান ও সায়রা বানু নিজেরা মিলে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’
ইনস্টাগ্রাম থেকে