বসের সঙ্গে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক, শিঘ্রই মুক্তি পাচ্ছে আলোচিত সেই সিনেমা।

বেবিগার্ল’ সিনেমার দৃশ্য

২০২৪ বছরে সমালোচকদের কাছে যে কয়েকটি সিনেমা বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে, ‘বেবিগার্ল’ তারই একটি। হেলিনা রেজিনের সিনেমাটি ২০২৪ বছরে ভেনিস উৎসবের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে লড়েছিল। এ ছবির জন্য উৎসবে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পান নিকোল কিডম্যান।
আগামী ২৫ ডিসেম্বর চলচ্চিত্র উৎসব ঘুরে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে এ সিনেমাটি। ভ্যারাইটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিনেমার অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে কথা বলেছেন নিকোল কিডম্যান।

ডাচ নির্মাতা হেলিনা রেজিনের ‘বেবিগার্ল’ চতুর্থ সিনেমা। এই ইরোটিক থ্রিলার সিনেমার অন্যতম প্রযোজকও হেলিনা রেজিন। ‘বেবিগার্ল’-এর গল্প এক কোম্পানির প্রধান নির্বাহী রোমি ও সেই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষানবিশ স্যামুয়েলকে নিয়ে। দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা পর্দায় তুলে ধরা হয়েছে।

বেবিগার্ল’ সিনেমার দৃশ্য


অস্ট্রেলিয়ান অভিনেত্রী নিকোল কিডম্যান রোমি’ চরিত্রে এবং অভিনেতা হ্যারিস ডিকসন ‘স্যামুয়েল’ চরিত্রে অভিনয় করেন । বেশ কয়েকটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যে দেখা গেছে গল্পের প্রয়োজনে। রোমি ও স্যামুয়েলের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয় এ সিনেমায়নির্মাতা সেটাও পর্দায় দেখিয়েছেন কাটছাট ছাড়াই।

সম্প্রতি ভ্যারাইটিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ প্রসঙ্গে কথা বলেন নিকোল কিডম্যান।

বেবিগার্ল’ সিনেমার দৃশ্য

অভিনেত্রী নিকোল কিডম্যান বলেন, ‘সিনেমার গল্প আমার দারুণ পছন্দ হয়। এ ধরনের চরিত্র ফিরিয়ে দেওয়ার উপায় ছিল না। অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় আমার কাজের অংশ। পর্দায় যৌনদৃশ্যে অভিনয় নিয়ে আমার কোনো সংকোচ নেই। আমরা স্বাধীনতা, নারীদের যৌনতৃপ্তি নিয়ে একটা সিনেমা করতে চেয়েছি; পর্দায় সেটাই উঠে এসেছে।

সিনেমার একটি দৃশ্যে তরুণ ব্রিটিশ অভিনেতা হ্যারিস ডিকসনকে নগ্ন হয়ে হাজির হতে দেখা গেছে। তিনি জানান, শুরুতে একটু অস্বস্তি হলেও সহ–অভিনেত্রী নিকোল কিডম্যান  পরিচালক তাঁকে সহজ করে দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, নিকোল কিডম্যানের মতো তারকার সঙ্গে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে কাজ করা তাঁর জন্য বড় অভিজ্ঞতা। তিনি বারবার নিকোলের কাছে স্ট্যানলি কুব্রিকের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা জানতে চেয়েছেন।


২০২৩ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে শুরু হয়েছিল ‘বেবিগার্ল’-এর শুটিং। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়।


বেবিগার্ল’ সিনেমার দৃশ্য

৮১তম ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে গত ৩০ আগস্ট সিনেমাটির প্রিমিয়ারের পর প্রশংসিত হয়। পরে ১০ সেপ্টেম্বর প্রদর্শিত হয় ৪৯তম টরন্টো চলচ্চিত্র উৎসবে।